১৯৮৫ সালে স্থানীয় কয়েকজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তির উদ্যোগে মিরপুরের এই এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় আমাদের স্কুল। প্রতিষ্ঠাকালে মাত্র ৪টি শ্রেণিকক্ষ ও ৯০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হলেও, ধীরে ধীরে এলাকাবাসীর আস্থা ও সরকারি সহায়তায় প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রসারিত হয়েছে।
১৯৯৪ সালে বিদ্যালয়টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার অধিভুক্তি লাভ করে এবং ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক — তিনটি শাখায় পাঠদান চলে।
প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও জীবনদক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
একটি আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গুণগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, যেখান থেকে শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতায় সক্ষম হয়ে বের হবে।
সততা, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা — এই চারটি মূল্যবোধের ওপর ভিত্তি করে বিদ্যালয়ের প্রতিদিনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান, নবম শ্রেণি থেকে বিভাগ নির্বাচন।
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত — সুসজ্জিত পরীক্ষাগারে ব্যবহারিক ক্লাসসহ।
হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় উদ্যোগ ও ফিন্যান্স বিষয়ে ভিত্তি তৈরি, বাস্তব উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষাদান।
ইতিহাস, ভূগোল, পৌরনীতি ও অর্থনীতি — সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কে বিশ্লেষণী দক্ষতা গড়ে তোলা।
শ্রেণিকক্ষের বাইরেও শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে বিদ্যালয় নিয়মিত আয়োজন করে থাকে:
পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের জন্য পৃথক তিনটি সুসজ্জিত ল্যাব।
৩০ আসনবিশিষ্ট কম্পিউটার ল্যাব, ইন্টারনেট সংযোগসহ।
৮,০০০-এর অধিক বই ও পত্রিকা সংবলিত পাঠকক্ষ।
ফুটবল, ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক্সের জন্য প্রশস্ত মাঠ।
নিয়মিত নামাজের জন্য পৃথক ব্যবস্থা।
প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রশিক্ষিত সেবিকা নিয়োজিত।